বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক পালস বুঝার অন্যতম জায়গা হলো টং-এর চায়ের দোকান। এখানে মানুষ মন খুলে রাজনৈতিক আলাপ তুলে। এমনকি ফ্যাসিস্ট হাসিনার সময়েও তাকে ছাড়ে নাই। অর্থাৎ, বাংলাদেশের একমাত্র জায়গা যেখানে আসলে আপনি গনতন্ত্র চর্চার একটু হলেও স্বাদ পাবেন। অন্তত, লোকগুলো মন খুলে যা ইচ্ছে তাই বলতে পারে। কখনো উত্তেজনা বেড়ে হয় তীব্র কথা-কাটাকাটি।
আপনি মানেন আর না মানেন, ইউনুস সরকারের জনপ্রিয়তা গ্রাম পর্যায়ে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাড়ছে।রমজানে দ্রব্য মূল্যের দামের উপর শক্ত লাগাম, প্রায় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ – এই দুটো সেবার প্রভাব বেশ পজিটিভলি পড়েছে। আর সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষদের কাছে এসবই ম্যাটার করে।
মানুষ চায় তাদের নেতারা বড় বড় জায়গায় পৌঁছাক। গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় গিয়ে তাদের প্রতিনিধিত্ব করুক। ইউনুস সরকারের বর্তমানের কুটনৈতিক নানা কর্মকাণ্ড, বিশেষ করে জাতিসংঘের মহাসচিবের বাংলাদেশ সফর ও বিশেষ বিমানে চীন সফর- সাধারণ জনমানুষের কাছে এসবও বেশ পসিটিভিটি পেয়েছে।
রাজনীতি থেকে পকেট ভারী করা লোকজন কিংবা ব্যাক্তি স্বার্থ হাসিলের লোকজন বাদে, একটি বিশাল জনগোষ্ঠীর কাছে ইউনুস সরকারের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। সামনে আরও বাড়বে। আর যারা দ্রুত নির্বাচনের দ্বিবা স্বপ্ন দেখছে, তাদের বাস্তবতায় ফিরে আসতে হবে। হ্যা, বাস্তবতায় ফিরে আসতে হবে।
“আমরা তো ভাই খাইয়া পইড়া বাচঁতে চাই। জিনিসপত্রের দাম কমছে”, ” ইউনুস সরকার পারবো” –
আপনারা যারা সারাদিন জনগণের সরকার বলে গলা ফাটান, তারা একটু জনগণের কাছে গিয়ে শুনেন। অনেক বাস্তবতা জানতে পারবেন।